• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

নীলফামারীতে কেউ মানছে না স্বাস্থ্য বিধি

সিসি নিউজ ।। নীলফামারীতে কেউ মানছে না স্বাস্থ্য বিধি। শহর কিংবা গ্রামের রাস্তাঘাট, হাট বাজার, গণপরিবহন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক অনুষ্ঠানে কোথাও শারীরিক দূরত্ব বজায় থাকছে না। মানুষের মাঝে করোনা বা ওমিক্রনের ভীতি থাকলেও মাস্ক ব্যবহারের আগ্রহ নেই তাদের। এসব কারণে সারা দেশের মতো নীলফামারীতে করোনা আক্রান্তের খবর মিলছে।

নীলফামারী সিভিল সার্জন অফিস সূত্র মতে, চলতি জানুয়ারী মাসের শুরুতে নতুন করে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ ও সৈয়দপুর উপজেলায় ২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বিগত বছরের ১৫ ডিসেম্বরের পর করোনা আক্রান্তের কোন রেকর্ড না থাকলেও নতুন করে জেলায় করোনা আক্রান্তের ফলে স্বাস্থ্য বিধি বাস্তবায়নে আইন প্রয়োগের কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন।

জেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, করোনার প্রকোপ কমে যাওয়ায় হাটবাজার, রাস্তাঘাট, মার্কেট, রেলস্টেশন এবং যানবাহনে কোথাও নেই শারীরিক দূরত্ব। মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক হলেও অনেকেরই মাস্ক পড়ায় আগ্রহ নেই। অথচ সকলেই মনে করেন করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে মাস্ক পড়া উচিত। মাস্ক ব্যবহারে অনীহার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি স্বল্প শিক্ষিত ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষের মধ্যে। এরা কোনো নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা করছে না।

নীলফামারীর দারোয়ানী বাজারের ইজিবাইক চালক আলমগীর হোসেন জানান, আমরা পরিশ্রম করি, তাই আমাদের করোনা হবে না। সরকার বলেছে মাস্ক পড়তে, তাই সাথে রাখি। অনেকেই মুখে মাস্ক থাকলেও থুতনির নিচে রাখে। আমরা দিন আনি দিন খাই। পেটের দায়ে ঘর থেকে বের হতে হয়। এগুলো বিধি নিষেধ মানার চেষ্টা করলেও আইনের প্রয়োগ না থাকায় আমরা ভূলে যাই। শিক্ষিত যাত্রীরাও মাক্স পড়ে না বলে জানান তিনি।

সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, বাসে যাত্রী ওঠা নামার সময় স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। অনেকের মুখে মাস্ক না থাকলেও হেলপার তাকে সাদরে উঠতে দিচ্ছেন। টিকিট কাউন্টারে আসা যাত্রীরা রয়েছেন মাস্ক ছাড়া। যে দুজন টিকিট বিক্রি করছেন তাদের মুখে মাস্ক থাকলেও একজনের রয়েছে থুতনির নিচে। বাসে অনেককে দেখা যায় মাস্ক ব্যবহারে অনীহা। বলতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে বাক বিতন্ডার কথা জানালেন রাবেয়া পরিবহনের কর্মচারী এনামুল হক।

নীলফামারী সিভিল সার্জন মো. জাহাঙ্গীর কবির জানান, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। যারা টিকা নিয়েছে আর যারা এখনও নেননি প্রত্যেকের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। সর্বত্রে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজ ব্যবহার করা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া নির্দেশনার একটি বিধি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো অনেকেই তা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না।

উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় আবারও নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। মন্ত্রী পরিষদ থেকে সকল জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দেয়া হয়েছে। তাই প্রশাসনের পক্ষ্য থেকে জনসাধারণকে সরকারি নির্দেশনা মানতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ